আকর্ষণীয় ফিগার গড়ে তুলুন কিছু সহজ কাজের মাধ্যমে

আপডেট: 2020-01-07 12:33:33

বর্তমানে সমগ্র পৃথিবী জিরো ফিগারের দিকে ঝুঁকছে। স্বাস্থের দিকে নজর রাখতে প্রতিনিয়ত জিম করছে। নিয়ম মেনে শরীরের বাড়তি মেদ কমাচ্ছে। কিন্তু অনেক সময় আমাদের নিময়গুলি জানা না থাকায় শরীরের মেদ বাড়ছে। ফলে সৃষ্টি হচ্ছে নানা রকম সমস্যা। মেদ কমিয়ে  জেনে নিন কিছু নিয়ম: 

১. আকর্ষণীয় ফিগার গড়তে খাওয়া-দাওয়ার দিকে নজর দিতে হবে৷ তবে তাই বলে পছন্দের খাবারগুলো সব বাদ দিতে হবে – এমন নয়৷ চর্বি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার কম এবং সে তুলনায় ফল এবং সবজি কিছুটা বেশি খেতে হবে৷ তবে মিষ্টিজাতীয় পানীয় একেবারে নয়! দিনে অন্তত একবার লাঞ্চ কিংবা ডিনারের সাথে সালাদ রাখুন। পছন্দের ফল ও সবজির সাথে টক দই মিশিয়ে স্বাস্থ্যকর সালাদ বানিয়ে নিন। এটা আপনার শরীরের বাড়তি মেদ কমিয়ে আপনাকে রাখবে ঝরঝরে ও সুন্দর।  

যেসব খাবার শরীর ফিট রাখতে সাহায্য করে:

ক. অ্যাভোকাডো খ. কলা গ. কাঠবাদাম

ঘ. টকদই ঙ. ওটমিল চ. তরমুজ ছ. ডার্ক চকলেট

জ. শসা ঝ. গ্রিন টি ঞ. পেঁপে

২. স্বাস্থ্যকর খাবারের পাশাপাশি অবশ্যই দরকার শরীর চর্চা। আরাম করে জগিং করলে ক্যালোরি খরচ হয় কম, তাই খুব দ্রুত গতিতে হাঁটা প্রয়োজন৷ এই যেমন, ১৫ মিনিট জোরে জোরে হাঁটায় খরচ হয় প্রায় ১৫০ কেজি ক্যালোরি৷ এতে বছরে সাত থেকে আট কেজি এমনিতেই কমার কথা৷ হাঁটার সময় ফোনে কথা না বলে সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়েই হাঁটতে হবে। কাজেই স্বাভাবিকভাবে ফলাফলও ভালো হয়৷

৩. জগিং করার পাশাপাশি ঘরের কাজ কর্ম করেও শরীর ফিট রাখা যায়। ঘরদোর ঝাড়ামোছার কাজটি প্রতিদিন নিজে করুন। বারান্দার গ্রিল থেকে শুরু করে জানালা, সিলিং কিচ্ছু বাদ দেবেন না। ঘরের কাজ তো হবেই, আপনার শরীরটা দারুণ হয়ে উঠবে। 

৪. নিজের কাপড় গুলো নিজে ধুয়ে ফেলুন। ওয়াশিং মেশিনে নয়, হাতে। দেখবেন ওজন কমার পাশাপাশি শরীরটাও দারুণ হয়ে উঠছে। হাতের ভালোই ব্যায়াম হবে। 

৫. লিফট ব্যবহার না করে সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করুন। দিনে অন্তত কয়েকবার সিঁড়ি ভাঙুন। এটি হিপস ও কোমরের শেপ সুন্দর করতে খুবই কার্যকর। সিঁড়ি ভাঙা না হলে গান ছেড়ে দিয়ে ইচ্ছামত নাচুন। 

৬) দড়ি লাফ বা স্কিপিং খেলতে পারেন সুযোগ পেলেই। আপনার সম্পূর্ণ শরীরের মাসল টোন করার পাশপাশি এটি ওজন কমায় ও শরীরের সর্বত্রই কাজ করে ফিগারের শেপকে সুন্দর করে তোলে। 

৭) যত যাই করুন না কেন, অবশ্যই পর্যাপ্ত ঘুমাবেন ও বিশ্রাম নেবেন। বিশ্রামের অভাবে আমাদের শরীরের নানান জায়গায় মেদ জমতে থাকে। সেই সাথে পান করবেন প্রচুর পানি। মেদ কমাতে ও ফিগারকে আকর্ষিণীয় করতে এর বিকল্প নেই। একই সাথে কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার কমিয়ে প্রোটিন বেশী খাওয়া শুরু করুন।